আপনার লেখাপড়ায় মন না বসার কারণ ও তা থেকে বাঁচতে আপনার করণীয় দেখে নিন

[ad_1]

আপনার পড়ায় মন বসে না । এমন অবস্থায় আপনার করণীয় কাজসমূহ নিয়ে লেখা আমার আজকের আটিকেলটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল । এই বিষয়ে আপনার প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তরসমূহ আমার আটিকেল থেকে পেতে পারেন । আটিকেলটি পড়ে আপনার কেমন লাগল তার মতামত ব্যক্ত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি ।

আমাদের অনেকেরই পড়ায় মন বসে না । এর সমাধান আমরা অনেকেই খুঁজে বেড়াচ্ছি । যেহেতু এটি একটি সমস্যা । তাই এর সমাধান থাকা আবশ্যক । এটি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের পরিচিত সমস্যা । তো চলুন পড়ায় মন না বসার কারণ ও সমাধান জেনে নিই ।


পড়ায় মন না বসার কারণ ও করণীয় :-

আমাদের বেশিরভাগ মানুষ টিকটক,ফেসবুক, টুইটার সহ নানা ধরনের সামাজিক ওয়েব সাইট ব্যবহার করে থাকি । এগুলো আমাদেরকে আসক্ত করছে । বিশেষ করে টিকটকের শট ভিডিও । এই আসক্তির কারণেই বেশিরভাগ মানুষের পড়ায় মন বসে না । তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।

~~এরপর যে কারণ সবথেকে বেশি মানুষের মধ্যে দেখা যায় সেটি হলো দীঘক্ষণ একনাগাড়ে পড়াশোনা করা । দীঘক্ষণ পড়াশোনা করলে পরবতীতে পড়তে আর ইচ্ছায় করবে না । তাই আমাদের উচিত পড়ার ফাঁকে ফাঁকে একটু করে ব্রেক নিয়ে নেওয়া । যেমন বিকালে খেলাধুলা করা । রাত্রে পড়ার মাঝে ব্রেক হিসেবে নামায আদায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে ।

^^তারপর যে কারণটি অনেকের মাঝে দেখা যায় সেটি হলো পড়াশোনার পরিবেশ খারাপ থাকা । আমাদের দেশের বেশিরভাগ ছাত্রের ক্ষেত্রে পড়াশোনার পরিবেশটা খুব বেশি ভালো থাকে না । পরিবারে অধিক জনসংখ্যা থাকলে এই সমস্যাটি দেখা যায় । পরিবেশকে সুন্দর ও সাবলীলভাবে তৈরি করে এ সমস্যা দূরীকরণ করা যেতে পারে ।

«» অন্যের সাথে গভীর বন্ধুত্বও পড়াশোনায় মন না বসার আরও একটি কারণ । বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি দেখা যায় । বন্ধুত্ব যতটা ভালো ততটা খারাপও । অন্যের সাথে সঙ্গ দিতে দিতে একটা নেশার আশঙ্কা দেখা যায় । তার সাথে দেখা না হলে মনও খারাপ থাকে । আর মন খারাপ থাকলে পড়ায় মন বসে না । তার সাথে নানা ধরনের কাজে জড়িত থাকতে ইচ্ছা করে । তাই আমাদেরকে অন্যের সাথে গভীর সঙ্গ ও অতিরিক্ত বন্ধুত্ব থেকে বিরত থাকতে হবে ।

$$ বাংলাদেশের বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে বিশেষ করে শহুরে অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের বাহিরে খেলা করার সুযোগ থাকে না । ঘরে বসে একা একা অবসর সময় কাটাতে হয় । অনেকে কম্পিউটার গেমসহ নানা ধরনের আসক্তিজনিত অবস্থায় আক্রান্তও হয়ে যায় । যা তাদেরকে একঘেয়েমি করে তোলে । পযাপ্ত খেলাধুলা না করলে লেখাপড়া করতে কোন মানুষ আগ্রহী হয় না । তাই আমাদের উচিত অবসর । শারীরিকভাবে কসরত হয় এরুপ খেলায় স্বশরীরে অংশগ্রহণ করা ।

¤¤ আমাদের দেশে অনেক বাবা-মা বিভিন্ন সরকারী বা বেসরকারী পেশায় নিয়োজিত থাকে । অনেক সময় তাদেরকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে স্থানান্তরিত হতে হয় । ফলে ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে শিশু নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে না । শিশুর সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্থ হয় । ফলে শিশুদের পড়ায় মন বসে না । স্কুল পরিবতনেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে । তাই আমাদের উচিত শিশুদের স্কুল বা স্থান পরিবতন না করা ।

তো আজ আমার পক্ষ থেকে এতটুকুই ছিল । ধন্যবাদ ।



[ad_2]

Source link

Leave a Comment

Copy link
Powered by Social Snap