আল্প আরসালান ভলিউম ২২ বাংলা সাবটাইটেল

আল্প আরসালান ভলিউম ২২ বাংলা সাবটাইটেল ও ডাবিং একটি দুর্দান্ত এবং আশ্চর্যজনক গল্প ছিল এবং এটি একটি বই পড়ার চেয়ে বোঝার একটি সহজ উপায়৷ আল্প আরসালান ভলিউম ২২  বাংলা সাবটাইটেল ও ডাবিং আমি ইয়ামান দেখেছি এবং এটিই প্রথম তুর্কি মুভি যা আমাকে আরও দেখার জন্য প্রভাবিত করেছিল। ইয়েমিন ছিল দ্বিতীয় নাটক এবং আমার ভালো লাগার কিছু পর্বে মন্তব্য করেছি। আমি পোস্ট করেছি এবং আমার বন্ধুদের ব্যাখ্যা করেছি কত সুন্দর জেনার এবং কিছু মূল্যবান জিনিস এমবেড করা হয়েছে৷ সিনেমা আমার সেরা শখ এক ছিল. আপনার নাটক সিরিজ শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ কিন্তু বারিস এবং এলসিন সেই সময়ে আমার সেরা নায়ক। ইব্রাহিম এবং সিলা আমির এবং রেহান ভাল। তাই আমি বারিস এবং এলসিনের আরও তুর্কি নাটকের অনুরোধ করছি। আমি আমার চিন্তা শেয়ার করার জন্য আপনি আমাকে দেওয়া এই সুযোগের প্রশংসা করি।

এই সিরিজ ভালোবাসি..
আল্প আর্সলান বিশ্বের এক নম্বর সিরিজ।
আমি আগে কখনো তুর্কি সিরিজ অনুসরণ করার কথা ভাবিনি। যেহেতু আমি কিছু তুর্কি সিরিজ দেখি কিন্তু সবসময় কিছু পর্ব এড়িয়ে যাই, কেউ কেউ ধীর গতিতে চলে যায়। রেটিং বা অন্য কোনো কারণে ভালোগুলো ছোট করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

আল্প আরসালান ভলিউম ২২  বাংলা সাবটাইটেল ঐতিহাসিক ড্রামা সিরিজ পছন্দ করি, এর আগে কখনোই তুর্কি সিরিজ দেখিনি কিন্তু প্রথম পর্বটি আমার আগ্রহ ধরেছে, ২য় পর্বের পর আমি হুক হয়ে গেছি এবং প্রতিটি পর্বের জন্য অপেক্ষা করছি। আমি প্রধান অভিনেতার একজন ভক্ত কারণ আমি আগে তার একটি তুর্কি সিরিজ দেখেছি।

সেরা অভিনেতাদের একজন বারিস আরদুক এই সিরিজে স্ট্রোমের মতো ফুঁ দিচ্ছেন। ওএমজি কি অসাধারণ তার অভিনয় দক্ষতা। এর আগে আমি তার কিরালিক জিজ্ঞাসা, কুজগুন দেখেছি যা নিঃসন্দেহে কল্পিত। কিন্তু আলপারসলান অন্য মাত্রা। আল্প আরসালান ভলিউম ২২  বাংলা সাবটাইটেল | alp arslan 22 Bangla Subtitle দেখুন

এপিসোডটি দেখতে নীচে যান

আল্প আরসলান বুয়ুক সেলজুগ্লো সিরিজটি বীর মুসলিম যোদ্ধা সুলতান মুহাম্মদের জীবনকাহিনীর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে। মহান সেলজুক সাম্রাজ্যের সুলতান মুহাম্মদ ইসলামের ইতিহাসে একজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি ১০৭১ সালে ঐতিহাসিক মলাজগীর্দ ময়দানে ক্রুসেডার বাইজেন্টাইনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করে, সকল তুর্কীদের আনাতলিয়ায় বসবাসের পথ উন্মুক্ত করে দেন। অসম্ভব সাহসীকতার জন্য তাকে “আল্প আরসলান” তথা সাহসী সিংহ উপাধি দেওয়া হয়। এমরে কুনুর নির্মিত শেদাদ ইনজি পরিচালিত আকলি ফিল্মের এই সিরিজটি পূর্বে প্রচারিত দ্যা গ্রেট সেলজুক সিরিজের প্রিকুয়েল।

বারিস আরদোচ আল্প আরসলানের চরিত্রে অভিনয় করবেন। এছাড়াও ফারিয়ে এভজান সুলতানের স্ত্রী আকজা হাতুনের চরিত্রে, দিরিলিস আরতুগ্রুলে বাইজু নোইয়ানের চরিত্রে অভিনয়কারী বারিস বাচী তুঘরিল বে’র চরিত্রে অভিনয় করবেন। সুলতানের সঙ্গী হিসেবে উয়ানিস বুয়ুক সেলজুগ্লো এর মতো এর মতো এই সিরিজেও নিজামুল মুলক চরিত্রে থাকবেন, মেহমেদ ওজগোর। এক সাহসী সুলতানের বীরত্ব ও ভালোবাসার মহাকাব্য এই সিরিজে চিত্রিত হয়েছে।

সুলতান মুহাম্মদ আল্প আরসলানের বাহিনীর হাতে বাইজান্টাইনদের বিপর্যয়ে মুসলমানগণ সেলজুকদের নেতৃত্বাধীন সর্বপ্রথম রোমীয় সম্রাটের অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারে সমর্থ হয় এবং এশিয়া মাইনরকে তুর্কীকরণের প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর সুলতান আল্প আরসলান বাইজেন্টাইন সম্রাটকে হত্যা না করে সন্ধিচুক্তি করার সুযোগ প্রদান করেন। সন্ধির শর্ত অনুযায়ী সম্রাট তার কন্যাকে সুলতানের পুত্রের সাথে বিয়ে প্রদান, বার্ষিক কর, মুসলিম বন্দিমুক্তির প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি লাভ করেন।

মুক্তিপণ হিসেবে দশ লক্ষ ও বাৎসরিক রাজস্ব হিসেবে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে রোমান সম্রাট সম্মত হন। সুলতার আল্প আরসলান রাজ্য জয়ের পর এশিয়া মাইনরের শাসনভার জয়গির হিসেবে তার চাচা কুতালমিশের পুত্র সুলায়মানকে প্রদান করেন। বিচক্ষণ ও দক্ষ শাসনকর্তা সুলায়মান তার রাজ্যসীমা উত্তরে হেলস্পন্ট ও পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করেন এবং বাইজেন্টাইন সম্রাটকে খাজনা দানে বাধ্য করেন। এরপর তিনি বিথিনিয়ার নাইসিয়া নগরীতে রাজধানী স্থাপন করেন। কিন্তু, ক্রুসেডের যুদ্ধে ১০৮৪ খ্রিস্টাব্দে বিথিনিয়া অধিকৃত হলে তিনি এশিয়া মাইনর তথা আনাতোলিয়ার আইকোনিয়াস বা রোমে সাম্রাজ্য স্থাপন করেন। এবং পরবর্তীতে এখানেই গোড়পত্তন হয় রোমের সেলজুক সালতানাতের। সুলতান আল্প আরসলান সেলজুক সাম্রাজ্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে রাজ্য সম্প্রসারণের একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যান।

ঐতিহাসিক ইবনে আসির বলেন, আরসলান উদার, মহানুভব, জ্ঞানী, ন্যায়পরায়ণ, ধার্মিক, দয়ালু ও পরোপকারী শাসক ছিলেন। তিনি মার্ভ থেকে সেলজুক সাম্রাজ্যের রাজধানী ইস্পাহানে স্থানন্তরিত করেন। অবশেষে ১০৭৩ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত এক বিদ্রোহীর অতর্কিত আক্রমণে আহত হয়ে সেলজুকদের সিংহ মহান সুলতান আল্প আরসলান মৃত্যুবররণ করেন। জানা যায়, আল্প আরসলান তিন বিয়ে করেছিলেন এবং তার ঘরে ১২ জন সন্তান রয়েছে। আল্প আরসলানের যোগ্য পুত্র মেলিকশাহ ই পরবর্তীতে সেলজুকদের সুলতান হোন। সুলতান আল্প আরসলানের রাজত্বকালে ১০৭১ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হওয়া মানজিকার্দের যুদ্ধের গুরুত্ব ইসলামের ইতিহাসে অপরিসীম। এই যুদ্ধের ফলে তুর্কি মুসলিমরা এশিয়া মাইনরে প্রাধন্য সুপ্রতিষ্টিত করতে সক্ষম হয়। এশিয়া মাইনরে তুর্কিকরণ ইসলামী রাজ্য এবং ধর্ম বিস্তারে সহায়কই ছিল না বরং পরবর্তীকালে উসমানীয় তুর্কিদের আবির্ভাব সুনিশ্চিত হয় এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল জয়ের প্রথম পদক্ষেপ বলে মন করা হয়।

এমরে কুনুর নির্মিত শেদাদ ইনজি পরিচালিত আকলি ফিল্মের এই সিরিজটি পূর্বে প্রচারিত দ্যা গ্রেট সেলজুক সিরিজের প্রিকুয়েল। বারিস আরদোচ আল্প আরসলানের চরিত্রে অভিনয় করবেন।এছাড়াও ফারিয়ে এভজান সুলতানের স্ত্রী আকজা হাতুনের চরিত্রে, দিরিলিস আরতুগ্রুলে বাইজু নোইয়ানের চরিত্রে অভিনয়কারী বারিস বাচী তুঘরুল বে’র চরিত্রে অভিনয় করবেন। সুলতানের সঙ্গী হিসেবে উয়ানিস বুয়ুক সেলজুগ্লো এর মতো এর মতো এই সিরিজেও নিজামুল মুলক চরিত্রে থাকবেন, মেহমেদ ওজগোর। এক সাহসী সুলতানের বীরত্ব ও ভালোবাসার মহাকাব্য এই সিরিজে চিত্রিত হয়েছে।

কিনিক বসতি থেকে সেলজুকদের উৎপত্তি। কিনিক, অঘুজদের মূল ২৪ টি শাখার অন্যতম। অঘুজ বসতি গুলো মূলত মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব রাশিয়ায় বসবাস করতো। ১১শ শতাব্দীর দিকে কিনিকদের একটি দলের গোত্রপ্রধানের নাম ছিলো সেলজুক। তারা সীরদরিয়া নামক নদীর তীরে বসবাস শুরু করে, পরবর্তীতে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়। তারা প্রথম দিকে ইরানের শামানি সাম্রাজ্য ও পরবর্তীকালে গজনভীর মাহমুদের সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত ছিলো।

ভিডিও দেখতে:- click now

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap