ওয়েব হোস্টিং ক্রয় করার পূর্বে যা জেনে নেওয়া জরুরী

[ad_1]

আপনি যদি একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরী করতে চান, তাহলে সেখানে আপনি কোন রকমের ফ্রি হোস্টিং পাবেন না।

এক্ষেত্রে আপনাকে কোনো একটি হোস্টিং প্রোভাইডার এর কাছ থেকে হোস্টিং করার করে নিতে হবে এবং তারপরে সেই হোস্টিং দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট রান করতে হবে।

এক্ষেত্রে কি রকমের ওয়েব হোস্টিং বেছে নেয়া সবচেয়ে বেশি ভালো হবে? সে সম্পর্কে অনেকেই জেনে নিতে চান।

আপনি যদি ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে চান এবং জেনে নিতে চান যে কি রকমের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহারে আপনার ওয়েবসাইট স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে, তাহলে এই আর্টিকেলটি দেখে নিতে পারেন।

আপটাইম/ ডাউনটাইম গ্যারান্টি

আপটাইম বলতে বুঝায় ওয়েবসাইটটি আসলে কতক্ষণ একটিভ থাকবে এবং ডাউনটাইম বলতে বোঝায় ওয়েবসাইট কতক্ষণ ডাউন থাকবে।

যে সমস্ত হোস্টিং প্রোভাইডার আপনাকে সবচেয়ে বেশি আপটাইম গ্যারান্টি দিয়ে থাকে, সেই সমস্ত হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করে নেয়া প্রয়োজন।

আপটাইম গ্যারান্টি হিসেবে আপনি যে সমস্ত ওয়েবসাইটে ৯৯.৯৯% আপটাইম গ্যারান্টি পাবেন, তাদের কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করে নিতে পারেন।

এছাড়াও হোস্টিংয়ের ডাউন টাইম এর বিষয়টিও মাথায় রাখবেন।

ভালো রিভিউ

এছাড়াও এই হোস্টিং প্রোভাইডার যার কাছ থেকে আপনি হোস্টিং করার করে নিতে চান তার কাছ থেকে পূর্বে থেকে যে সমস্ত কাস্টমাররা হোস্টিং নিয়েছে, তাদের কাছ থেকে ফিডব্যাক গুলো নিয়ে নিন।

অর্থাৎ বিভিন্ন রকমের প্লাটফর্মে গিয়ে তাদের রিভিউ দেখে নিন এবং এ সম্পর্কে সচেষ্ট হয়ে যান যে তারা আসলেই ভাল সার্ভিস দিচ্ছে কিনা।

যেমন আপনি যদি পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম একটি হোস্টিং ব্র্যান্ড, সাইটগ্রাউন্ড থেকে হোস্টিং ক্রয় করে নিতে চান, তাহলে Siteground reviews এখান দেখে নিতে পারেন।

কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট

এছাড়াও হোস্টিং রিলেটেড যেকোন রকমের সমস্যার মধ্যে পড়লে আপনার কাস্টমার কেয়ার সাপোর্টের প্রয়োজন হতে পারে।

যে সমস্ত ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট সাপোর্ট রয়েছে, সাপোর্টের প্রয়োজন সে সমস্ত হোস্টিং প্রোভাইডার কে আপনার ওয়েব হোস্টিং হিসেবে বেছে নিতে পারেন।

সবচেয়ে বেশি ভালো হবে যে সমস্ত ওয়েবসাইটে লাইভ সাপোর্ট রয়েছে, সে সমস্ত প্রোভাইডারের কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করার চেষ্টা করা।

এতে করে আপনি যখনই কোনো রকমের সমস্যার মধ্যে পতিত হবেন, তখন তাদের লাইভ চ্যাট সেবার মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে সেবা নিতে পারবেন।

সেজন্য যে সমস্ত হোস্টিং কোম্পানিতে কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট ভালো রয়েছে, তাদের কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করে নেয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

কম দামে মজে না যাওয়া

আপনি এরকম অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার দেখবেন যারা খুবই কম দামে আপনাকে হোস্টিং দিয়ে থাকে। যদি সেইসমস্ত হোস্টিং প্রোভাইডার হয় নামকরা কোন প্রতিষ্ঠান, তাহলে সেগুলো কিনে নিতে কোনো সন্দেহ নেই।

কিন্তু যাদেরকে আপনি ইতিপূর্বে কখনো দেখেননি বা যাদের নিয়ে সেরকম কোন গল্পকাহিনী নেই, তাদের কাছ থেকে কম দামে হোস্টিং নেয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো।

কারণ, এরকম অনেকেই রয়েছেন যারা কিনা ক্র্যাক করা হোস্টিং বিক্রি করে থাকেন। যা আপনার ওয়েবসাইটে বারোটা বাজিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

সেজন্য, হোস্টিং ক্রয় করার ক্ষেত্রে এ সমস্ত কমদামি হোস্টিং এড়িয়ে চলবেন।

সব সময় মিডিয়াম বজায় রাখুন। অতি বিলাসী হয় কম দামি হোস্টিং কে বেশি দামি কিনবেন না, আবার বেশি দামি হোস্টিং কম দামে ক্রয় করার চেষ্টা করবেন না।

সেজন্য হোস্টিং ক্রয় করার ক্ষেত্রে অবশ্যই দামের জিনিসটা একটু মাথায় রাখবেন।

মূলত ওয়েব হোস্টিং ক্রয় করার ক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো যদি আপনি মাথায় রাখতে পারেন, তাহলে আশা করা যায় হোস্টিং ক্রয় করার ক্ষেত্রে আপনি কোন রকমের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন না।

তবে একজন নতুন হোস্টিং ক্রয় কৃত ব্যক্তি হিসেবে আপনি সবসময় চেষ্টা করবেন নামিদামি যে সমস্ত হোস্টিং প্রোভাইডার রয়েছে, তাদের কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করে নেয়ার।

এতে করে তাদেরকে আর এত বেশি করে দেখতে হবে না যে তারা আসলে ভালো কি না খারাপ।



[ad_2]

Source link

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap