কেন জনপ্রিয় তার শীর্ষে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ Stranger Things | Drama | Season 4 | Bangla Review

[ad_1]

বিনোদনপ্রেমী দর্শক এখন এই মধুর প্রশ্নের জর্জরিত।
কার জয়জয়কার বেশি সে আলোচনা আজ থাক সিনেমা হোক বা সিরিজ দেশি হোক বা বিদেশি বিশ্বজুড়ে ওটিটির কল্যাণে দর্শক চাইলেই দেখে ফেলতে পারেন যা ইচ্ছা তাই।

আর খেতে ঘুমোতে কাজের ফাঁকে যদি প্রিয় সিরিজের একটু করে এক এক পর্ব দেখে ফেলা যায় তাহলে আর মনদো কি?

তাই আজকে এমনই এক দর্শক প্রিয় সিরিজের কথা আলোচনা করবো। স্বাগত জানাচ্ছি আমার আরো একটি মুভি সিরিজে।

বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ একে একে ৪ সিজনে অনেকে হয়তো নাম শুনলেও জানেন না।
কেন এত জনপ্রিয় এই সিরিজ চলুন আজকে কথা বলি *’স্ট্রেঞ্জার থিংস’* কে নিয়ে।

প্রথমে সিরিজের প্লট বা কাহিনী নিয়ে কথা বলি, আশি ৯০ দশকের যুক্তরাষ্ট্রে ছোট্ট একটা শহর হাকিস।
তোদের মত সুন্দর সাজানো গোছানো এক শহর, এই  সুন্দর শহরে একদিন নেমে আসে কালো অন্ধকার।
অজানা এক শত্রুর উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে হাকিসবাসীর জনজীবন।


এই সত্য শহরে যে বাসিন্দা মাইক ,উইল,লুকাছ তারা ছোটবেলার বন্ধু।
হুট করে একদিন এই বন্ধুদের এক বন্ধু উইল হারিয়ে যাই প্রাণ প্রিয় বন্ধুকে হারিয়ে পাগল প্রায় বন্ধু এবং তার পরিবার।

উইল কে খুঁজতে গিয়েই তারা আবিষ্কার করে অন্য এক অন্ধকার জগতের।
কাল্পনিক ভাষায় সিরিজে যাকে বলা হচ্ছে দ্যা আফ সাইড ওয়াল্ড অর্থাৎ আমাদের মাটির নিচে এক হুবহু পৃথিবীর মতো জগৎ।
কিন্তু উল্টো এবং অনেক ভয়ানক। কিছুটা
পৃথিবীর মিরর ইমেজ বলা যেতে পারে।

যা এই পৃথিবীতে আছে তা ওখানেও আছে তবে সেখানে মানুষের অস্তিত্ব নেই, আছে ভয়ংকর সব দৈত্য দানব।
এবং যার সঙ্গে জড়িত পৃথিবীরই এক দল অসাধু সরকারি কর্মকর্তা এবং সাইন্টিস্ট, যারা দেশের নানা কূটনৈতিক দিক বিবেচনায় মেতেছেন সর্বনাশ আবিষ্কার করার খেলায়।


কিন্তু এই অফসাইড ডাউন নামে অদ্ভুত ভুতুড়ে জগত থেকে, কিভাবে বন্ধু উইল কে ফিরিয়ে আনবে মাইক ও তার দল? আর কিভাবেই বা তৈরি এই জগতের?

এতসব জটিলতার মধ্যেই তাদের জীবনে আসে অদ্ভুত এক তরুণী, যার নাম ইলেভেন। আর পাঁচটা সাধারন মানুষের থেকে আলাদা ইলেভেন, কারণ তার রয়েছে সুপার পাওয়ার বা অন্যরকম কিছু শক্তি।

অসহায় কিন্তু মেধাবী সুপার উমেন কে নিয়েই এগোতে থাকে মাইক ডাস্টিনের গল্প।
একের পর এক সিজন এগোতে থাকে আর গল্প মোড় নিতে থাকে নতুন নতুন দিকে।

আর সেই সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে নতুন নতুন সব চরিত্র।
তবে গল্পে শুধু ফ্যান্টাসি দেখানো হয়েছে এমনটা কিন্তু নয়।
পারিবারিক বন্ধন সম্পর্ক আবেগ ভালোবাসা সুন্দর এক সংঘ্রাণিত রয়েছে এই গল্পে যা তরুণদের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগায়।


জাফর ব্রাদার বেশ সময় নিয়ে ই গল্প লিখেছেন গল্পের প্রত্যেকটি দিক ই তারা বিবেচনা করেছেন, কারণ গল্পে কোন প্লট হোল নেই।

ভালোবাসা বন্ধুত্ব আবেগ যেমন আছে তেমনি আছে সায়েন্টিফিক ফ্যান্টাসি সরকারের দুর্নীতি আর ইথিক্যাল ডিস ব্যালেন্স এর সংমিশ্রণ। এবং সেই সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ ও রয়েছে যা আমরা একদম শেষে বলবো।

এবার একটু সিরিজের যন্ত্রা নিয়ে কথা বলি।
সায়েন্স ফিকশন যন্ত্রা বলা হলেও এটি মূলত ফ্যান্টাসি থিলার।

যার আপাতত দৃষ্টিতে এটি বাচ্চাদের সিরিজ মনে হতে পারে, তবে মোটেও কেবল বাচ্চাদের কেন্দ্র করে বানানো হয়নি এই সিরিজ।

বরং আমি বলব বাচ্চা কেন দুর্বল চিত্রের বড়রাও এটি একটু ভেবেচিন্তে দেখবেন। যদিও একটি নেটফ্লিক্সে সিক্সটিন প্লাস বলা হচ্ছে.
তারপরো এমন কিছু ভয়ানক এবং ডিস্টার্বিং দৃশ্য আপনার সামনে এসে পড়তে পারে যা আপনার একদম ভালো নাও লাগতে পারে।

যার জন্য সিরিজের বেশ কয়েকটা পর্বে বিশেষ করে সিজন ৪ এ কিন্তু একদম শুরুতে একটি ফটো সেনসিভিটি ওয়ার্নিং বা দৃশ্য সংবেদনশীলতা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে আপনি যদি হন এডভান্সার প্রিয় এই সিরিজ আপনার জন্যই।

সিরিজের স্ক্রিন প্লে নিয়ে কথা বলি যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শুরুর সিজনে গল্পে টানটান উত্তেজনা থাকে উইল কে খুঁজে বেড়াচ্ছে কোথায় আছে উইল এইসব প্রশ্নের উত্তরে দর্শক ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট।


সিজন ২ তে এসে নতুন চরিত্র যুক্ত হাওয়ায় দর্শক এর আগ্রহের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
চরিত্র গুলোর মধ্যে একটা সম্পর্কের বিভিন্ন জটিলতা বিভিন্ন সুন্দর দিক একটা মানব সম্পর্কে যা যা সমস্যা আছে।
সবকিছুই তারা দেখাচ্ছে এবং তার সমাধানও দেখাচ্ছে।

সে ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ তখনো ধরে রাখে এই সিরিজটি।
কিন্তু সৃজন থ্রিতে গিয়ে অনেকটাই ফল্ট করে গল্প কারণ জোর করে টেনে গল্প বড় করার একটা প্রবণতায় কিছুটা বোরিং লাগতে শুরু করে।

রহস্যের কোন কুল্কিরা না খুঁজে না পাওয়ায় কিংবা পছন্দের চরিত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতিতে স্পয়লার এলার্ট।
মাঝে মাঝে তো আপনি ধৈর্য ও হারিয়ে ফেলতে পারেন।

কিন্তু সকল জট খুলবে সিজন ৪ এসে নিখুঁতভাবে সৃজন ওয়ান এর সাথে ৪ কে সুতোর মতো কাহিনী গেথে দিয়েছে নির্মাতা। জট খুলবে সব রহস্যের, তাই হয়তো দুই কিস্তিতে মুক্তি পেয়েছে এই সিজন।


কারণ বলি ওয়ান এবং বলিউম ২ তে মুক্তি পেয়েছে সিজন ৪,এবং যা নিয়ে প্রচণ্ড আলোচনা হয়েছে কিন্তু নেট মাধ্যমে।

এবার সিরিজের গ্রাফিক্স নিয়ে একটু কথা বলি।

যেহেতু ফ্যান্টাসি ধরনের সিরিজ, সেহেতু অজস্র গ্রাফিক্যাল ইমেজ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সেগুলো দেখে আপনার কাছে বাস্তব ই মনে হবে।

শিহরণ ধরিয়ে দিবে এই সিরিজের কাল্পনিক চরিত্রগুলো, তবে ওই যে কিছুটা বিভক্তি কর লাগলেও লাগতে পারে।
পাশাপাশি সিরিজের তরুণ শিল্পীদের অভিনয় প্রতিভা ও প্রশংসা নিও বেশ দায়িত্ব তার সাথেই পুরো সিরিজ কে বহন করেছে শিল্পীরা।

সবশেষ বলতে হয় কাল্পনিক জগতের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রযুক্তির অন্ধত্ব করার যে ভয়াবহতা দেখানো হয়েছে।
এই সিরিজের গল্প যা সমসাময়িক উন্নত বিশ্বের জন্য এক প্রকার সতর্ক বাণী বলা যেতে পারে। আপনিও দেখে ফেলতে পারেন এই চমৎকার সিরিজ টি।

সিজন ৪ শেষ হয়ে গেলেও মন খারাপের কিছু নেই, কারণ আরো একটি এবং সর্বশেষ সিরিজ সিজন ৫কিন্তু আসবে। তবে তার জন্য আপনার অপেক্ষা করতে হতে পারে প্রায় দুইটি বছর, এমনটাই নিশ্চিত করেছে নির্মাতা ডাফার ব্রাদার্স।

এই ছিল এই সপ্তাহের সিরিজে আপনি ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ দেখেছেন কিনা? এবং দেখলেও তা আপনার কেমন লেগেছে তা অবশ্যই আমাদেরকে জানাবেন।


YouTube Monetization Offer
৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইবার নিন মাত্র ৩০৯০ টাকায়। ১০০% সেভ ওয়ে।✅
Contract Facebook: https://www.facebook.com/abbu2400

আগামীকাল আপনাদের সঙ্গে আবারো হাজির হব এতক্ষণ আপনাদের সঙ্গে ছিলাম আমি হৃদয় আবার ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই দেখা হচ্ছে আল্লাহ হাফেজ❤️



[ad_2]

Source link

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap