নাকের পলিপাস দূর করার সঠিক চিকিৎসা কোনটা?

নাকের এই সমস্যাটি নিয়ে অনেকেই ভুগে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে সর্দি, কাশি বা এলার্জির কারণে বিনা চিকিৎসায় থাকলে পলিপাস হতে পারে।

পলিপাস মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে- ইটময়রেল ও মেক্সিলারি এন্ট্রোকনাল পলিপ। প্রথমটি নাকের উপরের সেতু হিসেবে কাজ করে। অনেকগুলো কোষের সমন্বয়ে তৈরি একটি ঝিল্লি। যেহেতু কোষের দেয়ালগুলো পাতলা থাকে তাই এগুলোতে পানি জমে ফুলে যায়। যার ফলে নাক প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এই পলিপটি হওয়ার জন্য দায়ী মূলত এলার্জি।

ফুটন্ত গরম পানিতে,কয়েক দানা ” মেনথল ক্রিষ্টেল” দিয়ে ভাপ নিলে একটু আরাম বোধহয়। দিনে ৩-৪ বার নিতে পারেন। সেই সাথে “লবন পানি” ফুটিয়ে নাক পরিষ্কার করতে পারেন।

এবং নাক-কান বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেন।

নাকের পলিপাসের জন্য কোন ধরনের চিকিৎসা সর্বোত্তম এবং এটা থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায়?

অপারেশন করতে পাড়েন,সামান্য পরিমানে হলে কোন ভালো হোমিওপ্যাথি মেডিসিনবিশেষজ্ঞ ডক্টর কে দেখাতে পাড়েন

নাকের পলিপাস হলে করনীয় কি

প্রাথমিকভাবে নাকের পলিপাস শনাক্ত হলে ঘরোয়া তিন উপায়েই তার সমাধান করতে পারেন। জেনে নিন কীভাবে-নাকের মধ্যে পলিপের অবস্থাসমূহ

নাকের মধ্যে পলিপের অবস্থাসমূহ

হলুদ
হলদে রঙা এই মশলাটিই পারে পলিপাসের সমস্যার সমাধান ঘটাতে। কারণ এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমূহ। যা শারীরিক বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে বাঁচায়। এক গবেষণার তথ্যমতে, হলুদ এলার্জির সমস্যা সমাধান করতে পারে। এজন্য প্রতিদিনের খাবারে এক থেকে দুই চা চামচ হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে খান। এর পাশাপাশি হলুদের চা ও পান করতে পারেন। এছাড়াও হলুদের গুঁড়া পানিতে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে অতঃপর মধু দিয়ে পান করুন।

রসুন
এই ছোট্ট উপাদানে রয়েছে অনেক ওষুধি গুণ। গবেষণায় দেখা গেছে, পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবেও কাজ করে রসুন। যে কোনো ধরনের প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে এটি। নাকের পলিপাসের সমস্যায় এটি বেশ কার্যকরী এক উপাদান। রান্নায় রসুন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিদিন কাঁচা খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন। রসুনের গুঁড়া হালকা গরম পানিতে মিশিয়েও প্রতিদিন পান করতে পারেন।

আদা
রসুনের মতো আদাতেও উপকারী সব উপাদান রয়েছে। ‘এসএ ২০১৩’ এর গবেষণায় জানা যায়, আদায় রয়েছে অ্যান্টিমাক্রোবিয়াল ও সংক্রমণবিরোধী উপদানসমূহ। নাকের পলিপাস সমস্যার সমাধানে রান্নায় নিয়মিত আদার গুঁড়া ব্যবহার করুন। এছাড়াও আদার চা পান করুন প্রতিদিন।  

সূত্র: হেলথলাইন

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap