C/C++ প্রোগ্রামিং এর জন্য জনপ্রিয় ৩ টি কম্পাইলার রিভিউ, যার মাধ্যমে আপনি আপনার সমস্ত কাজ করতে পারবেন

[ad_1]

App Review

যারা নিয়মিত প্রোগ্রামিং, html ইত্যাদি প্রেকটিস করেন তারা হয়ত বেশিরভাগ কাজ পিসিতে করেন। কিন্তু আপনি চাইলে আপনার সকল কাজ আপনার ফোনেই করতে পারেন। যেহেতু আমার ফোন সারাদিন আমার হাতেই থাকে সেহেতু প্রোগ্রামিং এবং প্রয়োজনীয় সকল অ্যাপস আমি আমার হাতের কাছেই রাখি। অনেকে হয়ত ভাবেন ফোন এর মধ্যে প্রোগ্রামিং করে তেমন মজা নেই বা সবকিছু করা যায় না । কিন্তু কথাটি একদম সঠিক নয় ফোন আপনি প্রোগ্রামিং থেকে শুরু করে সবকিছুই করতে পারবেন। টেকনোলজী এত উন্নত হয়েছে যে এখন আমরা সকল কাজ আমাদের ফোনেই করতে পারি। প্রোগ্রামিং এর লাইব্রেরী ফাইল একসেস, গ্রাফিক্স ফাইল একসেস থেকে শুরু করে অ্যানিমেশন, এডিটিং সবকিছুই ফোন এর মধ্যে করা যায়। ফোন এর মধ্যে মাল্টিটাস্কিং করে যে মজা পাই আমি সেটি আর কোথাও পাওয়া যায় না। ফোন এর মধ্যে প্রোগ্রামিং করতে আমি মূলত ৩ টি IDE বা কম্পাইলার ব্যাবহার করি। এবং এই ৩ টি কম্পাইলার থাকলে আপনি আপনার প্রায় সব কাজ করতে পারবেন অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়েই।
আজকে সবগুলো কপাইলার এর বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করব।


DCODER

অ্যাপটি হল একটি ক্লাউড based IDE এর অর্থ সহজে বললে এটি চালাতে আপনার নেট কানেকশন লাগবে। তবে এর কারণে আপনি অনেক সুবিধা পাচ্ছেন এবং সেগুলো হল অ্যাপটির সাইজ অনেক কম। কারণ আপনার প্রোগ্রামটি রান করতে যেসব ফাইলের প্রয়োজন হবে সেগুলো সে ক্লাউড থেকেই একসেস করে নিচ্ছে । ফলে আপনার ফোনে এক্সট্রা কোনো স্টোরেজ এর দরকার হচ্ছে না। আপনার ram/rom এর উপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলছে না। অনলাইনে সার্চ করলে আপনি অনেক কম্পাইলার পাবেন এই অ্যাপ এর কম্পাইলার টি সেগুলোর মতোই কাজ করে তবে অ্যাপটি খুব ভাল ভাবে ডেভেলপ করা হয়েছে। আমি দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাবহারের পরেও এতে কোনো ইস্যু দেখতে পাইনি। অ্যাপ টির মধ্যে রয়েছে অনেক ইউসফুল ফিচার যার বেশিরভাগ আমি ব্যবহার করি।

অ্যাপটি দিয়ে শুধু আপনি c/c++ করতে পারবেন এমন না। আপনি জেনে অবাক হবেন এটি প্রচুর পরিমাণে ভাষা সাপোর্ট করে। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি ৫০ টির ও বেশি ভাষা প্রেকটিস করতে পারবেন।
অ্যাপটির ইউসফুল ফিচারগুলোর মধ্য রয়েছে এর কম্পাইলার মডিফিকেশন। একাধিক ভাষায় লেখালেখি করার সুযোগ। বিভিন্ন রকমের চ্যালেঞ্জ এবং সেগুলো সলভ করা। ফিড থেকে পাবলিক ফাইল একসেস করা। রিয়েল টাইম সিংক এর ব্যাবস্থা। এক বা একাধিক ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে কাজ করা। এক বা একাধিক প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করা। Redo/undo করার সুযোগ রয়েছে এতে । লিডার বোর্ড আছে আপনার পজিশন দেখার জন্য। কোড প্রেকটিস এর মাধ্যমে আপনার স্কিল বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এবং সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ফিচার হচ্ছে সিনট্যাক্স হাইলাইট করা। কাস্টম মেনু, কাস্টম কোড এডিটর, ফন্ট সাইজ এডিট, বিভিন্ন রকমের থিমস সহ রয়েছে নানান রকমের ফিচার।



DETAILS

Name:cxxdroid
Download: 1M
Genre:Language
Price: Free
Rating: 4.3/5
Size:15-30MB


DOWNLOAD LINK

cxxdroid

এই অ্যাপটি হচ্ছে মূলত একটি অফলাইন ide এবং এর মাধ্যমে আপনি খুব আরামসে কাজ করতে পারবেন। এর কম্পাইলার টি খুব দ্রুত কাজ করে এবং আপনি কোনো প্রোগ্রাম রা। করার সাথে সাথে সেটি দ্রুত ফলাফল দিবে যেখানে অনলাইন কম্পাইলার গুলোর মধ্যে অনেক সময় লাগে এইসব কাজ করতে। এই অ্যাপটির প্রিমিয়াম ভার্সনটি খুবই প্রিয়িমাম। আপনি কোনো লাইব্রেরী ফাংশন বা কোনো কিছু টাইপ করার সময় এটি আপনাকে শো করবে আপনি কি লিখতে চাচ্ছেন বা আপনার ফলাফল কি হতে পারে। এর সাজেশন গুলো খুবই একুরেট। লেপটপ এর কম্পাইলার গুলোতে সাধারণত এই ফিচারগুলো দেখা যায়। এখানে কোডিং করে আপনি পিসি পিসি একটা ফিল পাবেন। তাছাড়া অ্যান্ড্রয়েড এর মধ্যে এভলেবেল সব কম্পাইলার গুলোর মধ্যে এটি একমাত্র কম্পাইলার যে কিনা গ্রাফিক্স সাপোর্ট করে । আপনি যদি গ্রাফিক্স এর কাজ করতে চান আপনার কম্পাইলার দিয়ে তবে এই কম্পাইলার টি আপনার জন্য। আমি অনেক ঘাটাঘাটি করেছি কিন্তু এর মত আর কোনো কম্পাইলার দেখিনি যেখানে আমি গ্রাফিক্স এর কাজ করতে পারব। কিন্তু এখানে একটি সমস্যা হল graphics.h এই হেডার ফাইলটি যুক্ত করা যাইনি এই কম্পাইলার এর মধ্যে। ফলে আমার আবারও অনেক ঘাঘটি করতে হয়েছে । এই কম্পাইলার এর প্রিমিয়াম ভার্সন টির কোনো মোড apk আমি পাইনি তবে একটি ট্রিক ইউস করে সব ফিচার আনলক করতে সক্ষম হয়েছিলাম। এখানে আপনি আরামসে আপনার সব কাজ করতে পারবেন কিন্তু আপনার যদি আরেকটু ফিচার এর দরকার পড়ে তার জন্য নেক্সট কম্পাইলার টির রিভিউ দিচ্ছি।



DETAILS

Name:TurboCdroid
Download: 1M
Genre:Language
Price: Free
Rating: 4.0/5
Size:15-30MB


DOWNLOAD LINK

Turbocdroid



এই কম্পাইলার টি দেখতে মনে হয় ২০০০ সালের দিকের কম্পিউটার এর কোনো প্রোগ্রাম এর মত। এই অ্যাপটি পিসির কোনো কম্পাইলার থেকে পোর্ট করা হয়েছে বা এমন কিছু বিস্তারিত আমি জানি না। এখানে আপনি c প্রগ্রামিং করতে পারবেন কিন্তু c++ এর কোনো সুযোগ নেই। এবং এই কারণে আপনি graphics.h এই হেডার ফাইলটি যুক্ত করে দিতে পারবেন। ফলে গ্রাফিক্স এর যতরকম কাজ আছে আপনি সব করতে পারবেন। অ্যাপটি দেখতে কিছুটা টার্মিনাল এমুলেটর এর মত লাগে। এখানে টাচ এর কোনো অপশন নেই। ডিসপ্লে আসার পর নিচের দিকে একটি খালি জায়গা আছে যেটি কিনা মাউস প্যাড এর মত কাজ করে এবং সেখানে টাচ করে মাউস কার্সরকে টিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন এবং সেখান ক্লিক করার মাধ্যমে অ্যাপ এর ভেতরেও ক্লিক হবে। তবে আপনি কোনো কিছু লিখতে চাইলে বা ক্লিক করলেই আপনার ডিভাইসের ইন্সটল করা কিবোর্ড সেখানে চলে আসবে। দেখতে বা শুনতে কিছুটা বিরক্তিকর মনে হলেও আমা কাছে এই ওল্ড ফ্যাশন সফটওয়্যার টি মজাদার লেগেছে । এর কম্পাইলার টিও অনেক ফাষ্ট এবং ভালোই কাজ করে। অ্যাপ টি নিয়মিত আপডেট পায়না তাই একটু অপছন্দের আমার।

আমি আজকে যে তিনটি কম্পাইলার এর কথা বললাম আপনার যদি উইন্ডোজ না থেকে তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে এই ৩ টি কম্পাইলার দিয়ে আপনার প্রায় সকল কাজ করে ফেলতে পারবেন। আপনি যদি হার্ড লেভেলের প্রোগ্রামার হতে চান তাহলে এই নেই সেই নেই, বিভিন্ন টুলস, সমঞ্জাম ইত্যাদির অজুহাত না দিয়ে এখনি কাজে লেগে পড়ুন। বিগিনার বা মিড লেভেলের প্রোগ্রামার হলেও আপনি আপনার যাবতীয় সব কাজ অ্যান্ড্রয়েড এর মধ্যেই করতে পারেন। বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড খুব পাওয়ারফুল os এবং ভবিষ্যতে আশা করি পিসির আরো অনেক কাজ ফোনের মাধ্যমেই করতে পারব। কমেন্ট করতে ভুলবেন না আপনার কোন কম্পাইলার টি বেশি ভাল লেগেছে।

Tested Device

Device: Samsung J6
Android: 11
Root: Rooted (Magisk)
Magisk: Latest Rom:Pixle Experience



[ad_2]

Source link

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap