Most Powerful Top 5 App জীবনে একবার হলেও ব্যবহার করা উচিৎ। তো দেরি না করে চলুন দেখে আশা যাক।

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।

[ad_1]

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।

আজ আমি আপনাদের সামনে ৫ টি অ্যাপস নিয়ে হাজির হলাম। যে 5 টি অ্যাপস আপনাদের সামনে নিয়ে হাজির হলাম সেই গুলো আমার পার্সোনাল জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিনিয়ত আমার কাজে আসে কোনটা একটু বেশি কোনটা একটু কম কিন্তু এই ৫ টি অ্যাপস ছাড়া এক অন্য রকম লাগে ।হয়তো এই ৫ অ্যাপস আপনার ভালো নাও লাগতে পারে অন্য ও ভালো লাগতে পারে এবং এই ৫ টি যেই ভালো লাগবে এমন নয়। কারো কাছে একটা কারো কাছে দুইটা ।মোট কথা হচ্ছে সবাই সবার সুবিধা বাদি অ্যাপস ব্যবহার করে থাকে। তো চলুন শুরু করা যাক।

IDM> 1DM

Download 

প্রথমে আমরা Idm>1DM নিয়ে আলোচনা করবো।idm পূর্ণরূপ হলো Internet Download Manager। এই IDM এর সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত কারণ যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন সবাই কম বেশি এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে থাকেন। এটা গুরুত্বপূর্ণ হলো এই জন্য যে আমরা যখন chrome ওর অন্যান্য ব্রাউজার দিয়ে যখন ডাউনলোড দেই তখন যদি কোন কারণে নেটওয়ার্ক চলে যায় পরবর্তীতে সময়ে সেই ডাউনলোডটি ঠিক মতো কাজ করে না error আছে। আবার মাঝে মাঝে স্পিড কমে যায়। কিন্তু IDm এই গুলো থেকে আলাদা খুব কম ফাইল crash করে। এবং খুব দ্রুতগতিতে ডাউনলোড হয়। শুধু যে এই কারণেই প্রথমে রাখছি এমনটা না আরো কিছু সুবিধা আছে।

উপরে দেখতে পাচ্ছে কিছু অপশন আছে একেকটার একেক কাজ। তাদের ভিতরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় IDM ব্রাউজার ।

দেখতে পাচ্ছেন কতগুলো টুলস আছে সব গুলো খুব কাজের। এবং ব্রাউজারের ব্রাউজিং খুব ফাস্ট। আমি Recommended করবো যদি কখন ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে একবার হলেও ব্যবহার করে দেখা উচিৎ। যারা ব্যবহার করেন তারা তো জানেনই কেমন তো আর কথা না বলি সবার জন্য Recommended থাকলো।

 

Android Assistant

Download

Android assistant আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অ্যাপস কারণ এইটার যেই কাজ সেটা দেখে আমি অবাক। ছোট ১ মেগাবাইট একটি অ্যাপস এতো কিছু দেওয়া এইটার ভিতরে যদি না দেখেন আপনি বিশ্বাস করবেন না।

দেখতে পাচ্ছেন কত কি।

১) উপরে প্রথমে আছে CPU যেটাকে আমরা সবাই বলি ব্রেন ।আপনার ফোনের CPU কতটা হাই আছে সেটা দেখতে পারবেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ এবং অ্যাপস ইনস্টল করতে পারবেন।

২) রেম খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ রেম যদি কম হয় তাহলে ফোন হ্যাং করতে পারে। এখানে আপনি দেখতে পারবেন আপনার ফোনের কত রেম এবং কতটা ব্যবহার হচ্ছে এবং কতটা ব্যবহার হচ্ছে না ।রেমটা দেখে সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারেন যাতে ফোনের সমস্যা না হয়।

৩) ব্যাটারি কত ভোলটেজ এবং ফোনের temperature কত সেটা দেখে ব্যবহার করতে পারবেন। সব সময় চাইবেন ৩০-৩৭/৩৮ এর ভিতরে রাখতে এর নিচে হলে সমস্যা নাই যদি বেশি হয় তাহলে ফোন একটু সমস্যা হতে পারে।

৪ ) এছাড়া রয়েছে Cache clear করার জন্য টুলস

৫) batch uninstall এবং Backup&Restore এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ করে backup&restore কেমন করে জানতে চাচ্ছেন তো। আপনার ফোনে সেই অ্যাপস গুলো ইনস্টল করা আছে সেই অ্যাপস গুলো কয়েক সেকেন্ডের ভিতরে backup করে ফোন মেমোরিতে রাখতে পারেন। আলাদা করে অ্যাপস লাগে না। এছাড়া বাকি কাজ গুলো না হয় ব্যবহার করার সময় দেখলেন।

Android assistant দিয়ে যদি ফোনে স্টোরেজ ডুকেন এইরকম graph আকারে দেখতে পারবেন কোন ফোল্ডার টি বেশি সাইজ খেয়েছে। এবং হিডেন কোন ফোল্ডার থাকলে সেটা ও শো করবে।

Network Cell Info

Download

Network cell info খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অ্যাপস। এটি মূলত যারা গ্রাম অঞ্চলে থাকেন তাদের বেশি উপকার হবে। আর যারা অনলাইন ভিত্তিক গেমস গুলো খেলেন তাদের জন্য ও হেল্পফুল ।

দেখতে পাচ্ছেন কত গুলো মিটার ।এই হলো একেকটা সিমের এবং ওয়াইফাইরের সিগন্যাল।

আমি দুইটি সিম ব্যবহার করছি দেখতে পাচ্ছেন। একটি সিমে পিং আছে -৯৯ এবং অন্যটিতে আছে  -১০৮ ।এখানে কোন সিমটি বেশি নেট প্রবাহিত করবে নিশ্চয়ই ভাবছেন -১০৮ না  -১০৮ যেই সিমটি সেটা আমাকে খবু একটা স্পিড দিবে না এবং কলে কথা বলার সময় আটকে যাবে ।এবং ব্রাউজিং ও ঠিক মতো করতে পারো না। আমাদের সিগন্যাল যত কম হবে তত ফাস্ট স্পিড দিবে এবং পিং ভালো পাবো। -49 পর্যন্তই হয়তো যায়। পিং যখন -৯৫-৯০ থাকবে তখন আপনারা মোটামুটি গেমিং এর জন্য ভালো একটা পিং পাবেন। যদি -১০০ উপরে থাকে তখন পিং ঠিক মতো পাবেন না হাই থাকবে। যখন গেমিং করেন তখন চেক করে নিবেন সিমের পিং কেমন দিচ্ছে। এবং প্রতি সেকেন্ড পিং চেন্জ হয়। এছাড়াও রয়েছে

স্পিড টেস্ট।

এবং

১) Speed

2)Raw

3)plot

4)plot2

5)state

6) map

7)Device

বাকি কাজ গুলো আপনারা দেখে নিবেন। সবার জন্য Recommended থাকলো।

 

Wifi Files Transfer pro

Download

 

Wifi file transfer অ্যাপসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

এই অ্যাপসটি দিয়ে আমরা দুইটি কাজ করতে পারবো এবং ফাইল দেওয়া নেওয়া দুইটি কাজই করা যাবে ।

উদাহরণ :

ধরেন আমি আপনার একটা ফ্রেন্ডের বাসায় বেড়াতে গেলেন এবং তারা সাথে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সময় গুলোতে ছবি তুলছেন। এখন আপনি চাচ্ছেন সেই ছবি গুলো যাতে আমার ফ্রেন্ড গুলো ও দেখুক তাই আপনি আপলোড করবেন ।কিন্তু কথা হচ্ছে যে আপনার বন্ধুর ফোন তো IPhone তার থেকে কিভাবে আপনি ছবি নিবেন। আমরা সবাই জানি যে iPhone থেকে শেয়ার করে android এ কিছু আদান প্রধান করা যায় না।  এখন ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে আপনাকে wifi file transfer অ্যাপসটি ব্যবহার করতে হবে।

অ্যাপসটি কিভাবে কাজ করে?  

ধরেন আপনার বাসায় একটি ওয়াইফাই আছে সেই ওয়াইফাইতে iPhone or android দুইটাই কানেক্টড আছে। iPhone অ্যাপস ইনস্টল করে start ক্লিক করলে আপনাকে একটা আইপি দিবে ।সেই আইপি দিয়ে ওই ওয়াইফাই আন্ডারে যতগুলো ডিভাইস থাকবে সবাই access নিতে পারবে। এবং দুইজনেই ফাইল আদান প্রধান করতে পারবে। চাইলে আপনি পিসি দিয়ে ও ফাইল আদান প্রধান করতে পারবেন। সবার জন্য Recommended থাকলো।

 

Ymusic

Download

Ymusic অ্যাপসটি খুব জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা সবাই কম বেশি ইউটিউব ব্যবহার করি এবং গান মুভি নাটক ইত্যাদি কত কিছু দেখে থাকি।  এই কত কিছু দেখার মাঝে আমাদের পছন্দের ও কিছু গান মুভি এবং নাটক থাকে। এই পছন্দের জিনিসটি সাথে সাথে ডাউনলোড করে রেখে দেওয়ার জন্য এই অ্যাপসটি ব্যবহার করা হয়। শুধু যে ডাউনলোড এর জন্য ব্যবহার হয় এমন নয় চাইলে আমরা  ইউটিউবের যে কোন গানকে অডিও করে শুনতে পারবো। এবং ফোনে থাকা সকল গান গুলোও আমরা শুনতে পারবো। বেশি কথা বললাম না শুধু ব্যবহার করার জন্য Recommended করে রাখলাম ।

তো আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন । আর হ্যাঁ কার কোনটি ভালো লাগছে এবং কার কোনটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে কমেন্ট করে জানাবেন।

আল্লাহ হাফেজ।



[ad_2]

Source link

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap